বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুন্সীগঞ্জের যুবক নিহত জাবি চিকিৎসা কেন্দ্রে ওষুধের অনিয়ম : অবরুদ্ধ চিফ মেডিকেল অফিসার ও স্টোর কিপার বরখাস্ত বিশ্বনাথে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত “ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর” শহীদ দিবসকে নিয়ে এখনো জামায়াত অপরাজনীতি করে : সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক সাভারে অবহেলিত নারীদের প্রশিক্ষণ শেষে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত শিবচরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মোঃ বাদল মৃধা তারেক রহমানের স্বপ্নের পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি খোকন ধামরাইয়ে অবৈধ-ভাবে জুস উৎপাদন : MK ষ্টোরে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ ১৫ বছরে পদার্পণ করলো বিএমএসএফ

তপ্ত খরতাপের পর স্বস্তির বৃষ্টিতে স্বস্তি

শহীদুল ইসলাম শরীফ, (বিশেষ রিপোর্টার) :-
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে যখন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল জনজীবন, ঠিক তখনই এক পশলা বৃষ্টি নামল পরম আশীর্বাদ হয়ে। আজ শুক্রবার (৫ জুন, ২0২৬) জুমার নামাজের ঠিক আগ মুহূর্তে ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়। ক্ষণিকের এই বৃষ্টিতে তপ্ত প্রকৃতি যেমন শীতল হয়েছে, তেমনি ধুলোবালি ও ভ্যাপসা গরম থেকে সাময়িক মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন এই তিন উপজেলার সাধারণ মানুষ।

গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার এই দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ। সকাল হতেই সূর্যের প্রখর তীব্রতায় ঘরের বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছিলেন। তবে আজ দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা শুরু হয় এবং জুমার আজানের ঠিক আগ মুহূর্তে এক পশলা মুষলধারে বৃষ্টি নামে।

হঠাৎ এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পেয়েছেন পথচারী ও জুমার নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরা। নামাজ শুরুর আগে বৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশ অনেকটাই ঠান্ডা হয়ে আসে। যদিও বৃষ্টির স্থায়িত্ব খুব বেশি সময় ছিল না, তবুও বাতাসে আর্দ্রতা কমে গিয়ে এক মনোরম ও শীতল পরিবেশ তৈরি হয়।

এই বৃষ্টি কেবল সাধারণ মানুষের মনেই স্বস্তি ফেরায়নি, বরং স্বস্তি এনেছে স্থানীয় আম ও পাট চাষিদের মনেও। তীব্র খরতাপের কারণে যেখানে ফলন নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সেখানে এই বৃষ্টি প্রকৃতির জন্য সঞ্জীবনী সুধা হিসেবে কাজ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিনের টানা গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও টেকা যাচ্ছিল না। এসি বা ফ্যান চালিয়েও কোনো কাজ হচ্ছিল না। জুমার ঠিক আগে প্রকৃতির এই উপহার যেন পুরো সপ্তাহের ক্লান্তি দূর করে দিল। যদিও বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরও আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন, যা বাতাসের শীতল ভাবটা গরমের তীব্রতাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
 

©2020 All rights reserved. সর্বসত্ব সংরক্ষিত। আলোকিত দোহার 

Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102