শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তপ্ত খরতাপের পর স্বস্তির বৃষ্টিতে স্বস্তি মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন বিএনপি’র হেভিওয়েট যেসব নেতা ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব-চক্রান্তের জাল ছিন্ন করা হবে’ : দোহারে এমপি আশফাক ঈদুল আজহায় দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জে পশুর হাট প্রচারণার সঙ্গে ভোটের হাওয়া এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর দোহার পৌরসভার কার্যকলাপে বিভাগীয় কমিশনারের ক্ষোভ দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ১ সাভারে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে কোরআন অবমাননা : মা-মেয়ে গ্রেফতার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মুন্সীগঞ্জের ৩ উপজেলায় হামের টিকাদান শুরু মুন্সীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

তপ্ত খরতাপের পর স্বস্তির বৃষ্টিতে স্বস্তি

শহীদুল ইসলাম শরীফ, (বিশেষ রিপোর্টার) :-
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে যখন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল জনজীবন, ঠিক তখনই এক পশলা বৃষ্টি নামল পরম আশীর্বাদ হয়ে। আজ শুক্রবার (৫ জুন, ২0২৬) জুমার নামাজের ঠিক আগ মুহূর্তে ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়। ক্ষণিকের এই বৃষ্টিতে তপ্ত প্রকৃতি যেমন শীতল হয়েছে, তেমনি ধুলোবালি ও ভ্যাপসা গরম থেকে সাময়িক মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন এই তিন উপজেলার সাধারণ মানুষ।

গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার এই দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ। সকাল হতেই সূর্যের প্রখর তীব্রতায় ঘরের বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছিলেন। তবে আজ দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা শুরু হয় এবং জুমার আজানের ঠিক আগ মুহূর্তে এক পশলা মুষলধারে বৃষ্টি নামে।

হঠাৎ এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পেয়েছেন পথচারী ও জুমার নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরা। নামাজ শুরুর আগে বৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশ অনেকটাই ঠান্ডা হয়ে আসে। যদিও বৃষ্টির স্থায়িত্ব খুব বেশি সময় ছিল না, তবুও বাতাসে আর্দ্রতা কমে গিয়ে এক মনোরম ও শীতল পরিবেশ তৈরি হয়।

এই বৃষ্টি কেবল সাধারণ মানুষের মনেই স্বস্তি ফেরায়নি, বরং স্বস্তি এনেছে স্থানীয় আম ও পাট চাষিদের মনেও। তীব্র খরতাপের কারণে যেখানে ফলন নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সেখানে এই বৃষ্টি প্রকৃতির জন্য সঞ্জীবনী সুধা হিসেবে কাজ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিনের টানা গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও টেকা যাচ্ছিল না। এসি বা ফ্যান চালিয়েও কোনো কাজ হচ্ছিল না। জুমার ঠিক আগে প্রকৃতির এই উপহার যেন পুরো সপ্তাহের ক্লান্তি দূর করে দিল। যদিও বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরও আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন, যা বাতাসের শীতল ভাবটা গরমের তীব্রতাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
 

©2020 All rights reserved. সর্বসত্ব সংরক্ষিত। আলোকিত দোহার 

Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102