
ঢাকার দোহার উপজেলায় পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামী আতিকুর রহমান জুয়েল(৫৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গত ৭ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার-কৃত আতিকুর রহমান জুয়েল উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার আফসার উদ্দিনের ছেলে এবং পূর্ব জয়পাড়া বাজারে উপজেলা মার্কেটে অবস্থিত চারুপাঠ লাইব্রেরী’র মালিক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ৬ বছর আগে উপজেলার পূর্ব সুতারপাড়া এলাকার এক নারীর সাথে আতিকুর রহমান জুয়েলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক সময়ে ওই নারীর অন্যত্র বিয়ে হলে জুয়েল তাকে বিভিন্ন-ভাবে হুমকি প্রদান করে।
ভূক্ত-ভোগী নারী জানান, জুয়েলের সাথে মেলামেশা না করলে তাদের অন্ত-রঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুক ও তার স্বামীর কাছে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জুয়েল এমন হুমকি প্রদান করে। এতে রাজি না হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং নারীর স্বামীর কাছে তাদের পূর্বের অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও জুয়েল ছড়িয়ে দেয়।
এ ঘটনায় সামাজিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আতিকুর রহমান জুয়েলকে প্রধান আসামী করে গত ৭ এপ্রিল ভূক্তভোগী নারী দোহার থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই-দিন রাতেই আতিকুর রহমান জুয়েলকে গ্রেফতার করে পুলিশ থানায় নিয়ে যায় এবং পরের দিন আদালতে প্রেরণ করেন।
ভূক্ত-ভোগী নারী’র স্বামী বাচ্চু বেপারী বলেন, আমার স্ত্রীর সাথে তার বিয়ের আগে সম্পর্ক ছিল এটি আমি জানতাম না। কিন্তু আমাদের বিয়ের পর জুয়েল আমার স্ত্রীকে হুমকি দেয় এবং তাদের পূর্বের অন্ত-রঙ্গ ছবি ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের সামাজিকভাবে মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়। তিনি আরও বলেন, জুয়েলের কারণে আমার কর্মস্থল থেকে চাকুরি চলে যায়। আমি এর বিচার চাই।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর মামলায় জুয়েলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।