
‘দেশে হামের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক এবং এটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। সংক্রমণের বিস্তার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বড় ধরণের জন-স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। আগামী ৩ মে থেকে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে হামের টিকা দেওয়া হবে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি এবং ময়মনসিংহ ও বরিশালে টিকা দেওয়া হবে’। (৫ এপ্রিল) রবিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতায় আমরা এই টিকাদান কর্মসূচিটাকে অনেকটা এগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। উনার বিচক্ষণতা বা উনার যদি এই রকম জনগণের প্রতি দৃষ্টি রাখায় ঘাটতি থাকতো তাহলে আজকে এই কর্মসূচিটা আমরা সফলভাবে করতে পারতাম না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, আমাদের বাচ্চারা যদি হাম আক্রান্ত হয়, সাথে সাথে আপনারা অভিভাবকদের বুঝিয়ে নিকট-স্থ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেবেন, যাতে করে একটা সন্তানও যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে, কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়। কাজেই এই এলাকায় যারা আমাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ আছেন সবাইকে আমি অনুরোধ করবো যে গ্রামের দিকে খেয়াল রাখবেন।
তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৮২ শতাংশ রোগী ৫ বছরের কম হওয়ায় তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বাকিদের পরে দেওয়া হবে। আজ থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এ সময় স্বাস্থ্য-মন্ত্রী বিগত সরকার গুলোর সমালোচনা করে বলেন, হাম ভয়াবক একটি রোগ। তবে এটাকে অতীতের সরকার গুলো অবহেলা করেছিল। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে টিকাদান কার্যক্রম কন্টিনিউ করা হয়নি। যার কারণে এবার বজ্রপাতের মতো আমাদের উপর হানা দিয়েছে।