
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার সোনাবাজু বেড়িবাঁধে দ্রুত স্লুইচগেট স্থাপন ও ইছামতী নদী থেকে কচুরীপানা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন দুই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। রোববার বিকেলে নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটি ও সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডার-স্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম- এর একটি প্রতিনিধি দল বেড়িবাঁধ এলাকা পরিদর্শন শেষে এ দাবি জানান।
সিনিয়র সাংবাদিক রাশিম মোল্লার নেতৃত্বে নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. আবুল হোসেন খন্দকার এবং সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশারসহ ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক-গণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বেড়িবাঁধ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্লুইসগেট না থাকায় পানি প্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং বেড়িবাঁধ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে ইছামতী নদীতে কচুরী-পানার বিস্তার নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। ইছামতী নদী রক্ষায় তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন এবং নদীটির নাব্যতা ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাংবাদিক খালিদ হোসেন সুমন, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ( বিপিএটিসি ) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেওয়ান, দপ্তর সম্পাদক ইহসান আননূর, নৌকা বাইচ প্রেমী শেখ আহাম্মদ আলী, সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, প্রচার সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা, খালিদ বিন ওয়াহিদ কনক প্রমুখ।