সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ১ সাভারে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে কোরআন অবমাননা : মা-মেয়ে গ্রেফতার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মুন্সীগঞ্জের ৩ উপজেলায় হামের টিকাদান শুরু মুন্সীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা আগামী ৩ মে থেকে একযোগে হামের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুন : চলছে দ্বিতীয় দিনের তল্লাশি ”বাংলাদেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু নই, আমরা মানুষ এটাই আমাদের বড় পরিচয়” : খন্দকার আবু আশফাক দোহারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ডিজেল জব্দ : ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দোহারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন দোহারে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবকের হাত বিচ্ছিন্ন

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক পাশ

অনলাইন ডেস্ক :-
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা-সহ সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতির পদে আসীন হওয়ার ক্ষেত্রে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) ডিগ্রিকে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। 

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী কাঠামোকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহি-মূলক করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে হলে নেতৃত্বে শিক্ষিত, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে বিষয়টি শুধু এই একটি মাত্র শর্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একজন প্রার্থীর সামগ্রিক যোগ্যতা, দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান রাখার সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় এমন ব্যক্তিদের যুক্ত করা, যারা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন। যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে সঠিক ব্যক্তিদের নির্বাচনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী অতীতের বিধান সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেন, আগে অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম ছিল যে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির নেতৃত্বের পদে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক (হেডমাস্টার) হতে হবে। ফলে নেতৃত্বের সুযোগ অনেক সময় সীমিত হয়ে যেত এবং বাইরের দক্ষ ও শিক্ষিত ব্যক্তিরা সেই কাঠামোর অংশ হতে পারতেন না।

তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়কার সেই বিধানের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সুযোগের পরিধি সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। এছাড়া তখন বিভিন্ন সময়ে নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতি এবং ফেভারিটিজমের অভিযোগও উঠত। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যেত, যোগ্যতার চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা প্রভাবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে সাংবাদিক ও সচেতন মহলে আলোচনা হলেও সবসময় নিরপেক্ষভাবে সমাধান পাওয়া যেত না।’

বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আরও উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিরা নেতৃত্বের সুযোগ পান এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় জবাব-দিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হোক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় যেন প্রকৃত অর্থেই মেধাবী, সৎ এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসতে পারেন। যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমেই একটি ন্যায্য, শক্তিশালী ও কার্যকর শিক্ষা প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ
 

©2020 All rights reserved. সর্বসত্ব সংরক্ষিত। আলোকিত দোহার 

Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102