
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অমিত হাসান(২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বান্দুরা পিত্তিতলা পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়কে এ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঘটে। নিহত অমিত হাসান উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের মহব্বতপুর গ্রামের শেখ মামুনের ছেলে। নতুন বান্দুরায় ‘বাইক পার্লার’ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
নিহতের স্বজনরা জানান, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে অমিত মহব্বতপুর নিজ বাড়ি থেকে নবাবগঞ্জের দাউদপুরে তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। অমিতের স্ত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আটদিন ধরে অমিত তার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াচ্ছে। তবে অমিত সকালে নাস্তা করে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে চলে আসে এবং সন্ধ্যায় বা রাতে আবার শ্বশুর বাড়িতে চলে যায়। রোববার দুপুরে অমিত তার স্ত্রীর সঙ্গে খাবার খাবে বলে দুপুরে শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়ে ফাঁকা সড়কে পড়েছিল।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক অবস্থার অবনতি দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কিন্তু, ঢাকায় নেওয়ার পথে অমিতের মৃত্যু হয়। তবে কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে নিহতের স্বজনরা কিছু জানাতে পারেননি।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার আলম আজাদ জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।