শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন বিএনপি’র হেভিওয়েট যেসব নেতা ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব-চক্রান্তের জাল ছিন্ন করা হবে’ : দোহারে এমপি আশফাক ঈদুল আজহায় দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জে পশুর হাট প্রচারণার সঙ্গে ভোটের হাওয়া এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর দোহার পৌরসভার কার্যকলাপে বিভাগীয় কমিশনারের ক্ষোভ দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ১ সাভারে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে কোরআন অবমাননা : মা-মেয়ে গ্রেফতার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মুন্সীগঞ্জের ৩ উপজেলায় হামের টিকাদান শুরু মুন্সীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা আগামী ৩ মে থেকে একযোগে হামের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রমজান এলেই কেন বাড়ে পণ্যর দাম? প্রশ্ন সাধারণ ক্রেতাদের

শেখ হামিদুর রহমান (বিশেষ প্রতিনিধি):-
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

রমজান মাসকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা’র বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।

বাজার করতে এসে স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল চৌধুরী বলেন, লেবুর হালি ১০০ টাকা, শসা কেজি ১০০ টাকার বেশি, বেগুন ১১০ টাকা। মুরগির দামও বেড়েছে। গরুর মাংস তো আমাদের সাধ্যের বাইরে। মাস শেষে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, রমজানের আগে যেখানে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে কথা হয় সেলিনা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, মাছের দাম যাই হোক, খেজুরের ভালো মানের কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ভালোটা ১০০০ টাকাও চাইছে। আপেল ৩৫০ টাকা, মাল্টা ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। রমজান এলেই মনে হয় দোকানদারদের মধ্যে বেশি লাভ করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

অন্যদিকে কাঁচাবাজারের একাধিক দোকানদার জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তারা বলেন, আমরা কম দামে কিনলে কম দামে বিক্রি করি। কিন্তু পাইকারিতে দাম বেশি থাকলে আমাদেরও কিছু করার থাকে না।

ভোক্তারা মনে করেন, রমজান মাস এলেই বাজারে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা বলেন, নতুন সরকারের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ রমজান মাসে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হোক, সিন্ডিকেট ভাঙা হোক, তাহলে সাধারণ মানুষ একটু স্বস্তি পাবে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও বাজার তদারকি জোরদার করা হলে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
 

©2020 All rights reserved. সর্বসত্ব সংরক্ষিত। আলোকিত দোহার 

Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102